জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিগত সরকারের আমলে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করার চেষ্টা চালানো হয়েছিল। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অস্ত্রাগারে রূপান্তরিত করে দখল ও চাঁদাবাজি চালানো হয়েছিল। তবে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেই ব্যবস্থার অবসান হয়েছে। বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব আর স্থান পাবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
সোমবার ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সদস্য সম্মেলন-২০২৪-এর উদ্বোধনী সেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে এ কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত এ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম।
সম্মেলনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন শহীদ আলী রায়হানের পিতা মো. মুসলেহ উদ্দিন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতৃবৃন্দ, শহীদ পরিবারের সদস্যরা, এবং গুম ও নির্যাতিত ব্যক্তিদের পরিবার।
জামায়াত আমির বলেন, আওয়ামী লীগ গত ১৫ বছর ধরে জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল। তবে ছাত্র ও যুবসমাজ তাদের শাসন মেনে নেয়নি এবং গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে তা পরাজিত করেছে। তিনি বলেন, দেশের জনগণ আর কোনো দুঃশাসন বা আধিপত্যবাদ মেনে নেবে না।
সম্মেলনের বিশেষ অতিথিদের মধ্যে ছিলেন জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরোওয়ার, এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন ইসলামী চিন্তাবিদ, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
আন্তর্জাতিক অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তুরস্ক, মালয়েশিয়া, মিশরসহ বিভিন্ন দেশের যুব সংগঠনের নেতারা। সম্মেলনের সমাপনী বক্তব্যে মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, ইসলামী ছাত্রশিবির জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হিসেবে কাজ করছে। ভবিষ্যতে সব আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে ছাত্রশিবিরকে প্রস্তুত থাকতে হবে।



