ঢাকাবুধবার , ৮ জুন ২০২২
  1. আনন্দধারা
  2. আন্তর্জাতিক
  3. ইসলাম ও জীবন
  4. কৃষি ও অর্থনীতি
  5. ক্যাম্পাস
  6. খুলনা
  7. খেলাধুলা
  8. গল্প ও কবিতা
  9. গুরুত্বপূর্ণ ওয়েব লিংক
  10. চট্রগ্রাম
  11. চাকুরী বার্তা
  12. জনমত
  13. জাতীয়
  14. ঢাকা
  15. পরিবেশ ও বিজ্ঞান

ইকোলজিক্যাল ফার্মিং সম্প্রসারণ বিষয়ক প্রারম্ভিক কর্মশালা

ইফাদ এর অর্থায়নে ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এর সহযোগিতায় পেইজ প্রকল্পের আওতায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এসডিএস বাস্তবায়নাধীন ইকোলজিক্যাল ফার্মিং পদ্ধতি সম্প্রসারণের মাধ্যমে চরাঞ্চলের উদ্যোক্তাদের আয়বৃদ্ধিকরণ শীর্ষক ভ্যালু চেইন উপ-প্রকল্পের প্রারম্ভিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (০৮ জুন ২০২২) সকাল ১০টায় এসডিএস এর আয়োজনে শরীয়তপুর জাজিরা উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে উক্ত কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ জামাল হোসেন, এসডিএস এর কৃষি সমন্বয়কারী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, কৃষি,মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ইউনিটের কর্মকর্তা মোঃ খাজি আলম, মোঃ আনোয়ার হোসেন,মোঃ রুবেল হোসেন ও পেইজ প্রকল্পের নিরাপদ সবজি উৎপাদন শাখার ভ্যালু চেইন ফ্যাসিলিটেটর মোঃ আব্দুল মান্নান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রকল্পের ভ্যালু চেইন ফ্যাসিলিটেটর শরিফুল আলম মনি ইকোলজিক্যাল ফার্মিং প্রকল্পের লক্ষ্য,উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম সম্পর্কে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। এ সময় তিনি প্রকল্প বাস্তবায়নের সুবিধা-অসুবিধা, চ্যালেঞ্জসহ বিভিন্ন দিক আলোচনা করেন। এরপর ইকোলজিক্যাল ফার্মিং পদ্ধতিতে সবজি চাষী মোছাঃ নিপা আক্তার কীটনাশক এবং রাসায়নিক সার ছাড়া সবজি উৎপাদনের বিভিন্ন সুবিধার কথা তুলে ধরেন।

কৃষি সমন্বয়কারী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সময়ে এই প্রযুক্তিতে সবজি উৎপাদন একবারে নতুন একটি ধারণা। সারাদেশের মধ্যে পাবনার একটি সংস্থা এবং আমরা এসডিএস এই পদ্ধতিতে সবজি উৎপাদনের চ্যালেঞ্জ নিয়েছি। কেউই এই প্রকল্পটি নিতে চায়নি। শুরুর দিকে আমরা খুবই ক্ষুদ্র পরিসরে এই প্রকল্পের কাজ শুরু করি। কিন্তু এখন অনেকেই এই পদ্ধতিতে সবজি চাষের আগ্রহ প্রকাশ করছে। এমনও সময় গেছে আমরা এই প্রকল্পের জন্য কোন লোক খুঁজে পেতাম কিন্তু এখন আর খুজতে হয়না।এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে পারলে আগামীতে কৃষিতে বাংলাদেশে একটি নতুন দিগন্তের উম্মোচন ঘটবে।

উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ জামাল হোসেন বলেন, ইকোলজিক্যাল ফার্মিং খুবই চ্যালেঞ্জিং একটি কাজ। এখন মানুষ ফসল ফলানোর জন্য যেভাবে রসায়নিক সার এবং বিষ ব্যবহার করছে তাতে করে তাদের সেই জায়গা থেকে ফিরিয়ে আনা অনেক কঠিন একটি কাজ। তবে এসডিএস যে কাজটি করেছে তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। পরিবেশ,প্রকৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে আমাদের সবাইকে অতিমাত্রায় সার এবং কীটনাশক ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। আমরা যদি এটি করতে না পারি তাহলে অদূর ভবিষ্যতে জীব বৈচিত্র চরম হুমকির মুখে পড়বে।

আরও পড়ুনঃ  এসডিএস'র কার্যক্রম পরিদর্শনে বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট

কর্মশালায় প্রকল্পের কাজের সাথে জড়িতে সহকারী ভ্যালু চেইন ফ্যাসিলিটেটর ও কৃষক-কৃষাণীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ - জাতীয়

নির্বাচিত সংবাদ